Home / টিপস / জেনে নিন অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা কীভাবে করবেন
???????????????????????????????????????????????????????

জেনে নিন অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা কীভাবে করবেন

কোন ব্যবসায়ই হোক বা শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগই জীবনের প্রথম সব জিনিসে ভালোভাবে কৌশল শিখে রাখা প্রয়োজন। কারণ বিস্তারিত তথ্য যদি না জানতে পারেন তাহলে পতন ঘটতে বেশি দিন লাগবে না। আর আপনি যদি অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা শুরু করার কথা পরিকল্পনা শুরু করেন। এর জন্য নিজেকে শিক্ষিত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিশ্চয়ই ধারণা করতে পারছেন আজ আমরা কোন সম্পর্কে আলোচনা করব। হ্যাঁ আজ আমরা আলোচনা করব কীভাবে অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা করা যায়।

তাই আপনি যাদি শেয়ারের ব্যবসা করতে চান। তাহলে এই নিবন্ধটি আপনার জন্য। এই পেজে থেকে আমরা ধাপে ধাপে বুঝে নেব অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা কেমন ভাবে শুরু করে। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে শেয়ার ব্যবসার পদ্ধতি।

এখানে রইল অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা শুরু করার ধাপঃ
Contents [hide]

1 এখানে রইল অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা শুরু করার ধাপঃ
1.1 অনলাইন লেনদেন করার জন্য প্রথমে আপনাকে একজন দালাল নির্বাচন করতে হবে
1.2 অতিরিক্ত খরচ এড়িয়ে চলুন
1.3 মার্জিন ট্রেডিং
1.4 শর্ট স্টকঃ
1.5 বিদেশে স্টক লেনদেন করার জন্যঃ
1.6 শেয়ার বাজারে প্রস্তুতকারকদের ভূমিকাঃ
1.7 ব্যাংকে বিনিয়োগঃ
1.8 ট্যাক্স জরিমানাঃ
1.8.1 অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা করার জন্য আপনাকে যা করতে হবে-
অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে কিছু বিষয় জানতে হবে। নীচে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে আপনি জেনে নিতে পারবেন, অনলাইনে শেয়ার অ্যাকাউন্ট শুরু করার আগে কোন কাজগুলো করলে আপনি শেয়ার মার্কেটে ব্যবসার উন্নতি করতে পারবেন।

অনলাইন লেনদেন করার জন্য প্রথমে আপনাকে একজন দালাল নির্বাচন করতে হবে

অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা শুরু করার আগেই আপনাকে প্রথমে যেই কাজটা করতে হবে সেটা দালাল বা ব্রোকার নির্বাচন। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে শেয়ারগুলি লেনদেন করতে পারবেন। কিন্তু ব্রোকার নির্বাচন করার আগে প্রথমে মাথায় রাখবেন যে ব্রোকার আপনি নির্বাচন করছেন সেটা জন্য কম খরচে হয়। কম খরচে একটি ব্রোকার নির্বাচন করুন এবং লেনদেন করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলুন। কিন্তু মাথায় রাখবেন স্থানীয় দালাল এবং অনলাইন দালালের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

অনলাইন বাড়ো ধরণের শেয়ার ব্যবসা রয়েছে। মার্কেট লেনদেন, সীমিত লেনদেন, ডে অর্ডার ইত্যাদি।

অতিরিক্ত খরচ এড়িয়ে চলুন
শেয়ার ব্যবসার সাফল্যের একমাত্র বাধা খরচ। কারণ শেয়ার বাজারে উত্থান এবং পতন লেগেই থাকে। তাই প্রথমেই অতিরিক্ত খরচ করবেন না। ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে পারেন। অনলাইনে ব্যবসা করার সময় অতিরিক্ত খরচ এড়িয়ে চলাই ভালো।

সুপারিশ নিবন্ধন :-

সেকেন্ডারি বাজারঃ সেকেন্ডারি শেয়ার বাজার কাকে বলে
মোবাইল বাজারঃ মোবাইল মার্কেটিং সম্পর্কিত তথ্য

স্টক কাকে বলেঃ স্টক কি এবং স্টক সম্পর্কিত বিষয়

ডিম্যাট একাউন্ট কি এবং কীভাবে খুলবেন জেনে নিন

ব্যবসার নিয়ম কানুনঃ ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য নিয়ম কানুন

ডিম্যাট একাউন্ট কি এবং কীভাবে খুলবেন জেনে নিন

মার্জিন ট্রেডিং

আপনার কি শেয়ার লেনদেন ব্রোকারেজ অ্যাকাউন্টটি ফটাকাবাজির জন্য চালু করতে চান তাহলে আপনি ব্রোকারেজ ফার্ম থেকে অর্থ ধার করতে পারেন। এটি মার্জিন ট্রেডিং নামে পরিচিত।

শর্ট স্টকঃ
প্রত্যেক সফল শেয়ার ব্যবসায়ীদের শর্ট স্টক থাকে। শর্ট স্টক থাকলে শেয়ার বাজার ধসের সময় আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আপনি যদি মার্জিন স্টকের জন্য অনুমোদিত হন তাহলে আপনি শর্ট স্টক পাওয়ার যোগ্য।

বিদেশে স্টক লেনদেন করার জন্যঃ

আপনি কি বিদেশী কোম্পানিগুলির সঙ্গে শেয়ার ব্যবসা করতে চান বা তাদের সঙ্গে শেয়ার ক্রয় বা বিক্রয় করতে আগ্রহী? ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে সেটা সম্ভব। আপনাকে শুধু লখ্য রাখতে হবে যে কর্পোরেশনটি আপনি নির্বাচন করবেন সেটায় যেন আমেরিকান ডিপোজিটরি রিসিপ্টস থাকে।

শেয়ার বাজারে প্রস্তুতকারকদের ভূমিকাঃ
শেয়ার লেনদেন করা বাজারের প্রস্তুতকারকদের ছাড়া অসম্ভব। আপনি যতবার শেয়ার ক্রয় বা বিক্রয় করবেন, সেটা যদি স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার প্রস্তুতকারকদের মাধ্যমে যায়। সেটা ব্যবসার জন্য খুব ভালো বিকল্প।

ব্যাংকে বিনিয়োগঃ

আপনার ধনসম্পদ থাকে, তাহলে সরাসরি ব্যাংকে বিনিয়োগ করতে পারেন। অথবা আপনার দালাল আপনার পক্ষ হয়ে বিনিয়োগ ব্যাংকে ব্যবসা করতে পারে।

ট্যাক্স জরিমানাঃ
আপনি যদি স্টকে শেয়ার বিক্রি করার পর আবার একই শেয়ার কেনেন এক্ষেত্রে বড় অর্থের ট্যাক্স জরিমানার খরচ দিতে হতে পারে। এই দিকগুলি এড়িয়ে চললে আপনি অনলাইনে শেয়ার বাজার সাফল্য পেতে পারেন।

অনলাইনে শেয়ার ব্যবসা করার জন্য আপনাকে যা করতে হবে-

উপরে আলোচনায় বলা হয়েছিল একটি ব্রোকার নির্বাচন করতে। ব্রোকারে সঙ্গে একটি অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে এবং তাতে ডিপোজিট করতে হবে।
ব্রোকারের ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
ব্রোকারের ওয়েবসাইটে গিয়ে সেখান থেকে একটি ট্রেডিং সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিতে হবে।
যেই সফটওয়্যারটি আপনি ইতিমধ্যে ডাউনলোড করেছেন সেখানে অ্যাকাউন্ট ইনফরমেশন দিতে হবে এবং লগিন করতে হবে।
সেখান থেকে আপনি অনলাইনে শেয়ারের ব্যবসা করতে পারবেন।
আপনি ব্রোকারের সঙ্গে যেই অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন সেখানে ডিপোজিটের অর্থ আপনি যেকোনো সময় তুলে নিতে পারবেন।
যদি ব্যবসায় লাভ তাহলে ডিপোজিট থেকে বেশি পরিমাণ অর্থ ফেরত পাবেন এবং যদি লস হয় তাহলে ডিপোজিট থেকে লসের পরিমাণ অর্থ কেটে রাখা হয়।

About admin

Check Also

গুগল প্লাসের আইডি ডিলিটের কৌশল

গুগল প্লাসের নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে ৫ লাখ ব্যবহারকারীর নাম, ইমেইল ঠিকানা, পেশা, লিঙ্গ ও বয়সের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *